সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শোকবার্তা জানানো হয়। এতে বলা হয়, তারেক রহমান মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায় তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বেগম জেবুন্নেছা একজন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষক ছিলেন। তিনি তার জীবনের দীর্ঘ সময় শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন, যারা বর্তমানে সমাজ ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন।
তিনি আরও বলেন, একজন আদর্শ মা হিসেবে বেগম জেবুন্নেছা তার সন্তানদেরও সুশিক্ষায় গড়ে তুলেছেন। পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেগম জেবুন্নেছা বুধবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। পাশাপাশি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এদিকে, একই দিনে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা চলমান থাকায় বিভিন্ন শোকবার্তা ও প্রতিক্রিয়া একসঙ্গে আলোচনায় আসে। তবে বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যু বিশেষভাবে তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের কারণে শিক্ষাঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তিনি শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, বরং অনেকের জীবনে অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন। তার শৃঙ্খলাবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধ অনেককে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন ব্যক্তিত্বের মৃত্যু সমাজে একটি বড় শূন্যতা তৈরি করে, যা সহজে পূরণ করা যায় না।
সব মিলিয়ে, বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে পরিবার, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক মহলে গভীর শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
কসমিক ডেস্ক