চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী শুক্রবার বা শনিবার দেশে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
তবে ঈদের দিনকে ঘিরে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই দুই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে।
বুধবার (১৮ মার্চ) প্রকাশিত ৫ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০ মার্চ শুক্রবার দেশের কয়েকটি বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাত।
বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-একটি জায়গায়ও বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে, যা আবহাওয়ার পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির পাশাপাশি দেশের সার্বিক তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেলে আবহাওয়া কিছুটা স্বস্তিদায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরদিন ২১ মার্চ শনিবারও একই ধরনের আবহাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সেদিনও রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়া, বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে ঈদের দিন বাইরে বের হওয়ার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে খোলা স্থানে অবস্থান, ঈদের নামাজ বা ভ্রমণের সময় আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিবেচনায় রাখা জরুরি।
যদিও এই বৃষ্টিপাত সার্বিকভাবে সব এলাকায় একসঙ্গে হবে না, বরং বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু জায়গায় হতে পারে।
তাই অনেক এলাকাতেই স্বাভাবিকভাবেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, ঈদের সময় আবহাওয়ার এই পরিবর্তন স্বস্তি ও কিছুটা ভোগান্তি—দুই দিকই নিয়ে আসতে পারে।
তাই আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতা থাকলে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আনন্দময় ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হবে।
কসমিক ডেস্ক