পেকুয়া থেকে চুরি, চট্টগ্রামে উদ্ধার: রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮০ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পেকুয়া থেকে চুরি, চট্টগ্রামে উদ্ধার: রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮০ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 27, 2026 ইং
পেকুয়া থেকে চুরি, চট্টগ্রামে উদ্ধার: রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮০ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ ছবির ক্যাপশন:

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্যবহারের জন্য নেওয়া গ্যাস সিলিন্ডারের একটি চালান থেকে ৮০টি সিলিন্ডার চুরির ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরী থেকে সেগুলো উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জাতিসংঘের অর্থায়নে ব্যবহৃত ৭০০টি খালি গ্যাস সিলিন্ডার রিফিলের উদ্দেশ্যে ট্রাকে করে চট্টগ্রামে নেওয়া হচ্ছিল। পথে পেকুয়া চৌমুহনী ফিলিং স্টেশন এলাকায় গাড়িটি যাত্রাবিরতির জন্য থামে। এ সময় চালকের অজান্তে ট্রাকের হেলপারের সহযোগিতায় ৮০টি সিলিন্ডার কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

যাত্রাবিরতির পর চালক হেলপারকে খুঁজে না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে সিলিন্ডার গুনে দেখেন ৮০টি কম রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে পেকুয়া থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রাথমিকভাবে ট্রাকের হেলপারের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

পরে এসআই মো. সাজ্জাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি দল চট্টগ্রাম নগরীর চাক্তাই এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ৮০টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদন্ডী এলাকার মো. ইলিয়াস (৪০) এবং বায়েজিদ থানার জালালাবাদ এলাকার মো. কাউছার (৩৬)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, ট্রাকের হেলপার মোহাম্মদ নুর নবী (২৩) ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের কাছ থেকে কম দামে এসব সিলিন্ডার কিনেছেন।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, বেক্সিমকো কোম্পানির এলপিজি সংশ্লিষ্ট পরিবহন কার্যক্রম পরিচালনাকারী টিএসএস লজিস্টিক লিমিটেড-এর একজন প্রতিনিধি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলম জানান, ঘটনায় জড়িত দুইজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ট্রাকের হেলপার মোহাম্মদ নুর নবীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অর্থায়নে ব্যবহৃত সামগ্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। বিশেষ করে যাত্রাবিরতির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে এ ধরনের চুরির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। তদন্ত শেষ হলে চুরির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই ঘটনায় পরিবহন নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থার বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সিসিটিভি নজরদারি ও দ্রুত অভিযানের ফলে চুরি হওয়া মালামাল দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
রাজাপুরে জামায়াতের অফিসে অগ্নিসংযোগ, নির্বাচনী উত্তেজনা বৃদ্

রাজাপুরে জামায়াতের অফিসে অগ্নিসংযোগ, নির্বাচনী উত্তেজনা বৃদ্