কেউ কথা রাখে না বলেই নিজেই প্রার্থী মাকসুদুর রহমান The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

কেউ কথা রাখে না বলেই নিজেই প্রার্থী মাকসুদুর রহমান

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 5, 2026 ইং
কেউ কথা রাখে না বলেই নিজেই প্রার্থী মাকসুদুর রহমান ছবির ক্যাপশন:
ad728

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কেউ রাখে না—এই অভিযোগ থেকেই নিজেকে প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছেন মাকসুদুর রহমান। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী হিসেবে তিনি ঢাকা-৭ আসনে ছড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনী প্রচারে বড় কোনো আয়োজন নেই তার। নিজের সঞ্চিত অর্থ এবং স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া সহায়তায় কিছু লিফলেট ছাপিয়ে এলাকায় বিতরণ করছেন। ব্যানার, ফেস্টুন কিংবা বিলবোর্ডে তার উপস্থিতি না থাকলেও নিজেকে তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই দেখছেন। তার মতে, আলোচিত অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তার পরিচয় একটি ‘পরিচ্ছন্ন ইমেজ’।

ঢাকা-৭ আসনে আরেক প্রার্থী জেএসডির শাহানা সেলিম। ‘তারা’ প্রতীকে নির্বাচন করে তিনি বলছেন, এলাকার মানুষ নানামুখী সংকটে রয়েছে এবং সেই বাস্তবতা থেকেই তিনি নির্বাচনে নেমেছেন। অর্থের সীমাবদ্ধতার কারণে বড় প্রচার সম্ভব না হলেও জয়ের বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে পরিবর্তনের বার্তা এবং পুরান ঢাকার সঙ্গে তার পারিবারিক সম্পর্ক।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহও নিজেকে শক্ত অবস্থানে দেখছেন। বটগাছ প্রতীকের এই প্রার্থী ব্যানার বা বিলবোর্ডের চেয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এতে খরচ কম হয় এবং সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব—এমনটাই তার বক্তব্য।

লালবাগ, চকবাজার, বংশাল ও কোতোয়ালি থানার আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৭ জন।

ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার প্রচারণা এলাকাজুড়ে বেশি চোখে পড়ছে। উভয় প্রার্থীর পক্ষেই রয়েছে ব্যাপক ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে দলটির আমির শফিকুর রহমান জনসভাও করেছেন।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান (হাতপাখা), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. শহিদুল ইসলাম (কাঁঠাল), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির শফিকুর রহমান (হাতি), বাসদ মার্ক্সবাদীর সীমা দত্ত (কাঁচি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার (ফুটবল) এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সম্প্রতি লালবাগ, আজিমপুর, বংশাল ও চকবাজার এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে—ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার প্রচার সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান। পাশাপাশি অন্যান্য প্রতীকগুলোর প্রচারও ছড়িয়ে আছে এলাকাজুড়ে।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে ভিন্ন ভিন্ন মত উঠে আসছে। লালবাগ এলাকার মুয়াজ্জিন হোসেন বলেন, প্রার্থীরা অনেক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত নিজের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দেবেন বলেও জানান তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
একদিন পিছিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার ঘোষণা করবে বাংলাদেশ জামায়া

একদিন পিছিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার ঘোষণা করবে বাংলাদেশ জামায়া