নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও ফতুল্লা এলাকায় বিএনপির জোট প্রার্থীসহ পাঁচ প্রার্থীর প্রতিনিধিকে মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত অভিযানে এই জরিমানা আদায় করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট পাঁচটি পৃথক ঘটনায় জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যানবাহনে অবৈধভাবে নির্বাচনী স্টিকার ও পোস্টার লাগানোর অভিযোগে তিন প্রার্থীর প্রতিনিধিকে জরিমানা করা হয়। দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী সিরাজুল মামুন, চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী বাহাদুর শাহ এবং ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের প্রতিনিধিদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া বন্দর এলাকার কেওডালা বাসস্ট্যান্ডে অবৈধভাবে নির্বাচনী তোরণ নির্মাণের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের প্রতিনিধিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমীর এক সমর্থককে দেলপাড়া বাজার এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্টিকার বহন করার দায়ে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই অভিযানটি পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, বুধবার মোট চারটি অভিযান তিনি নিজে পরিচালনা করেন এবং একটি অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর। এসব অভিযানে পাঁচ প্রার্থীর প্রতিনিধি ও সমর্থকদের কাছ থেকে মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিধি লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি।
কসমিক ডেস্ক