যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও কুয়েতে ইরানের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) আলজাজিরার প্রতিবেদনে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আব্দুল আজিজ আল-ওতাইবি বলেন, “স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৫টা থেকে এখন পর্যন্ত ২৮টি ইরানি ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।” তিনি এটিকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক ইরানি হামলার তীব্র ঢেউ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হামলার লক্ষ্য ও প্রভাব
কুয়েতের দাবি অনুযায়ী, দক্ষিণ কুয়েতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান বিপুলসংখ্যক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব স্থাপনায় রয়েছে:
- গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা
- বিদ্যুৎকেন্দ্র
- পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্ট
হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা ও আঞ্চলিক প্রভাব
এই হামলার ফলে দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামলা চলতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতায় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি প্রচেষ্টা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
কসমিক ডেস্ক