নতুন নকশার ১০ টাকার ব্যাংক নোট আজ মঙ্গলবার বাজারে আসছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে নতুন নোটটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ছাড়া হবে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য শাখা অফিস থেকেও নোটটি সরবরাহ করা হবে।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন ১০ টাকার নোটে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে। নোটটির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৩ মিলিমিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০ মিলিমিটার প্রস্থে। রঙের দিক থেকে এতে গোলাপি রঙের আধিক্য লক্ষ্য করা যাবে।
নোটটির নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের অংশ হিসেবে জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখের ছবি। নোটের সম্মুখভাগের বাম পাশে ২ মিলিমিটার চওড়া একটি নিরাপত্তা সুতা যুক্ত রয়েছে, যাতে ‘১০ টাকা’ লেখা আছে। আলোর বিপরীতে ধরলে এই লেখা স্পষ্ট দেখা যাবে এবং নোট নাড়াচাড়া করলে সুতার রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে।
নোটের সম্মুখভাগে বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি মুদ্রিত রয়েছে। মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার নকশা সংযোজন করা হয়েছে। গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে See-through image হিসেবে একটি প্যাটার্ন রয়েছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘১০’ সংখ্যা দেখা যায়।
নোটের উপরের অংশে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ লেখার নিচে সমান্তরালভাবে এবং পেছনভাগের বাম পাশে গ্লিউইশ প্যাটার্নের বাইরের অংশে Microprint আকারে ‘BANGLADESH BANK’ লেখা মুদ্রিত হয়েছে।
নোটের পেছনভাগে ‘গ্রাফিতি–২০২৪’-এর একটি ছবি সংযোজন করা হয়েছে, যা নতুন নোটের নকশায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে আসলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে। পাশাপাশি মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য ১০ টাকা মূল্যমানের নমুনা নোটও ছাপানো হয়েছে, যা বিনিময়যোগ্য নয় এবং নির্ধারিত মূল্যে টাকা জাদুঘর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।