ডেনমার্কের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ডেনমার্ক জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কায় গত জানুয়ারিতে ডেনিশ সেনারা গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত বিমানবন্দরের রানওয়েগুলো ধ্বংস করার গোপন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষয় মোকাবিলায় সেখানে জরুরি রক্ত সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোর রাজনৈতিক সমর্থন চাওয়া হয়েছিল। ডেনমার্কের পরিকল্পনা ছিল মার্কিন আগ্রাসন ঠেকাতে দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ছোট সামরিক দল মোতায়েন করা, যার অংশ হিসেবে ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে ও সুইডেনের সৈন্যরা নুক ও কাঙ্গারলুসসাক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছিল।
সেই সময় ডেনমার্ক-নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক মহড়াকে ‘অপারেশন আর্কটিক এনডুরেন্স’ হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসন প্রতিরোধ। ডেনিশ প্রতিরক্ষা সূত্র স্বীকার করেছে, সরাসরি মার্কিন আক্রমণ দীর্ঘ সময় ঠেকানো কঠিন হতো, তবে গ্রিনল্যান্ড দখলের শত্রুতামূলক পদক্ষেপের সতর্ক বার্তা প্রেরণ করা সম্ভব ছিল।
পরবর্তীতে ট্রাম্পের মন্তব্যে উত্তেজনা কমে যায়, তিনি বলেছিলেন গ্রিনল্যান্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ করতে চান না। ন্যাটোর দুই মিত্র দেশের এই নজিরবিহীন সামরিক উত্তেজনার খবর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কসমিক ডেস্ক