সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা: চরমোনাই পীর The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা: চরমোনাই পীর

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 29, 2026 ইং
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা: চরমোনাই পীর ছবির ক্যাপশন:
ad728

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, সংখ্যালঘুসহ সমাজের সব নিপীড়িত ও দুর্বলের জন্য ইসলাম একটি পরীক্ষিত ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যমান আইন ও রাষ্ট্রীয় বন্দোবস্ত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার বিভিন্ন আসনে আয়োজিত পথসভা ও নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

চরমোনাই পীর বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। তার ভাষায়, বিদ্যমান আইন ও বন্দোবস্ত নিপীড়িত ও দুর্বল জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করার বদলে রাষ্ট্রকেই নিপীড়নের উপকরণে পরিণত করেছে।

তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক অব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে বলেন, এসব কারণে দুর্বল মানুষ আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। মানুষের কষ্টার্জিত আয়ের ওপর কর আরোপ করে সেই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

চরমোনাই পীর বলেন, বর্তমান বন্দোবস্ত বাংলাদেশকে একটি প্রকৃত নাগরিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারেনি। বরং রাষ্ট্রকে একটি গুটিকয়েক শ্রেণির মুনাফার উৎসে পরিণত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা এই পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করতেই রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে এবং অনেকে পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করেছে।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামকে বিকল্প রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে। ৫৪ বছরের ব্যর্থতা মুছে একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে তিনি হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে উপস্থাপন করতে যারা ভয় পায়, তাদের ইসলামী রাজনীতি করা মানায় না। তার দাবি, বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই স্পষ্টভাবে ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে সামনে এনেছে।

তিনি বলেন, যারা ইসলামকে ভালোবাসেন, দেশকে ভালোবাসেন এবং দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে চান, তাদের উচিত হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়া। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ইসলামী আন্দোলন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণকে আর হতাশ হতে হবে না।

জনসভাগুলোতে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এবং ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান আহমেদসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হারানো অস্ত্র উদ্ধার বড় চ্যালেঞ্জ : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্

হারানো অস্ত্র উদ্ধার বড় চ্যালেঞ্জ : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্