তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নিতে সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে অন্যতম হলো জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের জন্য দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি প্রদান সংক্রান্ত প্রস্তাব।
মন্ত্রী বলেন, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা স্বীকৃতি দেওয়া হবে। যারা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন, তাদের ইনডেমনিটি দেওয়ার বিষয়টি সরকার গ্রহণ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়াও তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ রাজনৈতিকভাবে করা হয়েছিল। সেসব নাম পরিবর্তন বা বিলুপ্তির বিষয়েও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ রয়েছে, যেগুলোও গ্রহণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর বিশেষ কমিটির এই বৈঠকে বিভিন্ন অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে কোনটি সরাসরি গ্রহণ করা হবে, কোনটি সংশোধনসহ গ্রহণ করা হবে এবং কোনটি পরে সংশোধনের জন্য রাখা হবে—তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হয়। প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে ১২ মার্চ এবং পরবর্তী অধিবেশন ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাকি সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আলোচনা শেষ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। বিষয়টি রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সকল দিক বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কসমিক ডেস্ক