সাদ্দামের মতো পরিণতি কোনো দলের কর্মীর না হোক: রুমিন ফারহানা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সাদ্দামের মতো পরিণতি কোনো দলের কর্মীর না হোক: রুমিন ফারহানা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 26, 2026 ইং
সাদ্দামের মতো পরিণতি কোনো দলের কর্মীর না হোক: রুমিন ফারহানা ছবির ক্যাপশন:
ad728

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের মতো পরিণতি যেন বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল বা কর্মীর কপালে না ঘটে, সে জন্য জনগণকে অত্যন্ত সতর্কভাবে নেতা বাছাই করতে হবে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার টিঘর গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, কারাগারে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী সাদ্দামের স্ত্রী তার সন্তানকে হত্যা করে নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। অথচ সেই সাদ্দামকে একদিনের জন্য প্যারোলে মুক্ত করে আনার মতো কোনো নেতা এগিয়ে আসেনি। এমনকি স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর সাদ্দাম মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য কারাগারে গিয়ে তাদের মরদেহ দেখতে পেরেছে। যাদের জন্য সাদ্দামের মতো কর্মীরা দীর্ঘ ১৫ বছর রাজনীতি করেছে, যাদের নেতা বানাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে, সেই নেতারাই তার পরিবারের খোঁজ রাখেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, সাদ্দাম ছাত্রলীগ করত—কিন্তু গত ১৫ বছরে ছাত্রদলসহ অন্য রাজনৈতিক সংগঠনেও এমন কর্মী ছিল। প্রশ্ন হলো, যে নেতা কর্মীর পরিবারের খোঁজ রাখে না, যে নেতাকে বানাতে গিয়ে কর্মীর শেষ ঠিকানা হয় কারাগার, এমন রাজনীতি কি জনগণ চায়? যে নেতার পেছনে দাঁড়িয়ে কর্মীর স্ত্রী ও সন্তানকে বিষ খেয়ে মরতে হয়, সেই নেতাকে কি আবারও বেছে নেওয়া উচিত—এই প্রশ্ন রাখেন তিনি।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, গত ১৫ বছরে বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল, অনেকের নম্বর বিদেশে ছিল, কর্মীরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগই করতে পারেনি। কিন্তু সে সময়েও জনগণ তাকে পাশে পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাই তিনি জনগণকে আহ্বান জানান, ভবিষ্যতে যেন কোনো কর্মীর পরিণতি সাদ্দামের মতো না হয়, সে জন্য সাবধানে নেতা নির্বাচন করতে হবে।

নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, তার বাবা, ভাই বা বোন কেউ নেই—জনগণই তার পরিবার। সরকারে থাকুন বা বিরোধী দলে থাকুন কিংবা স্বতন্ত্র অবস্থানে থাকুন—জীবন থাকতে তিনি তার কোনো কর্মীর ক্ষতি হতে দেবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যেক ভোটারকে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। খেলায় যখন কেউ গোল করতে পারে না, তখন ফাউল করে—এই উপমা টেনে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি কেউ যদি ফাউল করার চেষ্টা করে, জনগণকেই তার জবাব দিতে হবে।

তিনি আরও জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নির্বাচন ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিদেশি কূটনীতিকদের নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ, প্রশাসন ও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কোনো প্রার্থীর দল না থাকতে পারে, কিন্তু জনগণ তার সঙ্গে থাকলে তার বিরুদ্ধে ফাউল করা নিজের গলায় দড়ি দেওয়ার শামিল। এ কারণে বড় দলগুলোকে নির্বাচনে সহিংসতা বা অনিয়ম না করার আহ্বান জানান তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে অপরাধচক্র, বাড়ছে খুন-চুরির ঝুঁকি

গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে অপরাধচক্র, বাড়ছে খুন-চুরির ঝুঁকি