ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 26, 2026 ইং
ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ছবির ক্যাপশন:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ৫৪টি স্থায়ী এবং ১ হাজার ৮৫১টি অস্থায়ী কেন্দ্রসহ মোট ১ হাজার ৯০৫টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএনসিসির নগর ভবনে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ বিষয়ক এক অবহিতকরণ কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। কর্মশালায় জানানো হয়, প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন করে মোট ৩ হাজার ৮১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সার্বিক কার্যক্রম তদারকির জন্য মাঠপর্যায়ে ১৮৩ জন প্রথম সারির এবং ১০৩ জন দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।

ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডিএনসিসি জানায়, সুবিধাবঞ্চিত শিশু, বস্তিবাসী এবং বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানকারী শিশুদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে চারটি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে। এসব মোবাইল টিমের মাধ্যমে নির্ধারিত কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানরত শিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এছাড়া ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন মোবাইল সেবার মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম চলবে। কর্মজীবী অভিভাবকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে ডিএনসিসির স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে একই সময় সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে এ সেবা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকসংক্রান্ত মামলার কার্যক্রম আরও কার্যকর ও দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রচলিত আদালতের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তিনি মনে করেন, শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এই পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি জানান, মাদকের বিস্তারের কারণে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মাদক নির্মূলে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, মাদক কারবারিদের আর্থিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক সংশ্লিষ্ট অর্থপাচারের অভিযোগে ৯টি মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে। এর মাধ্যমে মাদক ব্যবসার অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা গেলে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই আরও কার্যকর হবে। সরকারের লক্ষ্য মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আইনগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। সম্প্রতি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাকাত তহবিল বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলার জাকাত সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনা করে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফরিদা খানমের নেতৃত্বে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ জাকাত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং জনসম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে তার নেতৃত্বে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়। এর ফলেই জাতীয় জাকাত তহবিলে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং জাকাত সংগ্রহে নতুন সাফল্য অর্জিত হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণা, সমন্বয় সভা এবং মানুষকে জাকাত প্রদানে উৎসাহিত করার নানা কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি জাকাত তহবিল সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আস্থা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি জাকাত ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাও ইতিবাচক ফল বয়ে আনে।

এ বিষয়ে ফরিদা খানম বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে জাকাত তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাকাতের অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, এই স্বীকৃতি তাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতেও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় রয়েছে তার।

জাতীয় পর্যায়ে এ অর্জন সরকারি জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছাদূত তাহসান খান কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করে সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গা তরুণদের সঙ্গে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তাদের দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অনুষ্ঠিত এই সফরে তিনি বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সফরকালে তাহসান খান দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন রোহিঙ্গা তরুণের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বসবাস এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হলেও শিক্ষা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে তারা নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে নিজ দেশে ফিরে সমাজ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

রোহিঙ্গা তরুণদের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে তাহসান খান বলেন, বছরের পর বছর শরণার্থী জীবনে থেকেও তারা আশা হারিয়ে ফেলেননি। বরং তারা শিক্ষা গ্রহণ করছেন, নতুন দক্ষতা অর্জন করছেন এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। তিনি বলেন, এই অদম্য মনোবল সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র আশা জাগিয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়; তাদের জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে তারা ভবিষ্যতে নিজেদের সমাজের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে মিয়ানমারের সহিংসতা ও নিপীড়নের মুখে পালিয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন। নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ এখনো তৈরি না হওয়ায় শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

সফরের শেষে তাহসান খান বলেন, রোহিঙ্গা জনগণ এখনো একদিন নিজ দেশে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের সংবাদে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নিহতদের স্বজনদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দুর্যোগের এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের জনগণ ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং এই মানবিক সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সাহস ও শক্তি অর্জন করুক ভেনেজুয়েলার সরকার ও জনগণ—এ প্রত্যাশা করেন তিনি।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভেনেজুয়েলার দ্রুত পুনরুদ্ধার কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হবে। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ লাঘবের জন্য শুভকামনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এই শোকবার্তা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের প্রতি বাংলাদেশের মানবিক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংহতির বার্তাকেই তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণের এই কঠিন সময়ে সাহস ও ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন।চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই–মে) দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ধীরগতি দেখা গেছে। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ সময়ে এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৮ শতাংশ, যা গত ১৬ বছরের মধ্যে জুলাই-মে সময়ের হিসাবে সর্বনিম্ন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই থেকে মে পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭৬৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এডিপির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। তবে বাস্তবায়নের হার এবং ব্যয়ের পরিমাণ—উভয় দিক থেকেই এ বছরের অগ্রগতি গত কয়েক অর্থবছরের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।

আইএমইডির পূর্ববর্তী তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণত জুলাই-মে সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে থাকে। এবার সেই হার ৫০ শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছে, যা উন্নয়ন কার্যক্রমে ধীরগতির স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক বাস্তবায়ন চিত্রেও বড় বৈষম্য দেখা গেছে। সংসদবিষয়ক সচিবালয়ের একটি প্রকল্পে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ১১ মাসে এক টাকাও ব্যয় করা হয়নি। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বরাদ্দের ২৫ শতাংশও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতার ঘাটতি, ঠিকাদারদের ধীরগতির কাজ, জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা, প্রশাসনিক জটিলতা, রাজস্ব ঘাটতির কারণে অর্থ ছাড়ে সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের কারণে উন্নয়ন ব্যয় কম হয়েছে। এছাড়া নকশা পরিবর্তন, ক্রয়প্রক্রিয়ার জটিলতা, দুর্বল তদারকি, নীতিগত পরিবর্তন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ক্ষেপণও এডিপির অগ্রগতিকে প্রভাবিত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা, অর্থায়ন, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।



নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’— চিরকুটের ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই অ

‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’— চিরকুটের ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই অ