বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এলেও উপেক্ষিত দেশের ফুটবলাররা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এলেও উপেক্ষিত দেশের ফুটবলাররা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 15, 2026 ইং
বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এলেও উপেক্ষিত দেশের ফুটবলাররা ছবির ক্যাপশন:
ad728

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ স্বীকৃতির প্রতীক ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি স্বল্প সময়ের সফরে বাংলাদেশে এসে ঘুরে গেল। এই সফরে ফুটবলপ্রেমী সাধারণ ভক্তরা ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পেলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে দেশের ফুটবলারদের উপেক্ষার বিষয়টি। জাতীয় দল, নারী দল কিংবা বয়সভিত্তিক কোনো দলের ফুটবলারকেই বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

প্রত্যেক পেশাদার ফুটবলারের জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন বিশ্বকাপে খেলার স্বাদ পাওয়া। তবে বাংলাদেশের মতো বিশ্ব ফুটবলে পিছিয়ে থাকা দেশের জন্য বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ। বাস্তবতা কঠিন হলেও সেই স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো প্রতীকী উপাদান।

বিশ্বকাপ ট্রফি সামনে থেকে দেখার অভিজ্ঞতা অনেক ফুটবলারের জন্য হতে পারত মানসিক শক্তির বড় উৎস। কিন্তু বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কয়েক ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে আসা ট্রফির কাছে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন মাঠের খেলোয়াড়রাই। যদিও বিমানবন্দরে জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়, তবে জাতীয় পুরুষ দল, নারী দল কিংবা বয়সভিত্তিক দলের অন্য কোনো ফুটবলারকে সেখানে দেখা যায়নি।

এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ফুটবল অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্তারা। বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানান, সময় স্বল্পতার কারণেই ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, “আমাদের সময়টা খুব কম দেওয়া হয়েছিল। আমরা কোকা-কোলার কাছে বাড়তি সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা দিতে পারেনি। ফিফার কাছেও অনুরোধ করেছি। এমনকি ফিফা ট্রফির কো-অর্ডিনেটরের কাছেও ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছি। কিন্তু ট্রফি প্রদর্শনের যে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে, তার মধ্যেই আমাদের সর্বোচ্চ সময় দেওয়া হয়েছে, যা এবার যথেষ্ট ছিল না।”

নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করলেও ভবিষ্যতে দেশের ফুটবল এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাঈদ হাসান কানন। তিনি বলেন, আগামী চার বছরে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবল বিস্তারের মাধ্যমে শক্তিশালী জাতীয় দল গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

কানন বলেন, “আমরা আগামী চার বছর বোর্ডে আছি। এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে খেলোয়াড় তুলে এনে একটি ভালো মানের জাতীয় দল তৈরি করতে চাই। যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে পারবো।”

বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ সফর ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় হলেও ফুটবলারদের উপেক্ষার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে— দেশের ফুটবলের প্রকৃত অংশীদাররা কতটা গুরুত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ক্ষমতায় এলে দক্ষ ও জনমুখী সরকার গঠনের লক্ষ্য জামায়াতের

ক্ষমতায় এলে দক্ষ ও জনমুখী সরকার গঠনের লক্ষ্য জামায়াতের