শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ: সংঘর্ষ মামলায় বিএনপি প্রার্থী জড়িত The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ: সংঘর্ষ মামলায় বিএনপি প্রার্থী জড়িত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 31, 2026 ইং
শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ: সংঘর্ষ মামলায় বিএনপি প্রার্থী জড়িত ছবির ক্যাপশন:
ad728

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় করা হত্যা মামলায় শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশের কর্মকর্তারা।

নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী মার্জিয়া বেগম শুক্রবার রাতে ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে প্রথম দফায় বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সন্ধ্যার আগে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল তাঁর সমর্থকদের নিয়ে শহরের দিকে অগ্রসর হলে প্রশাসনের সঙ্গে বাধার মুখে পড়েন।

এ সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে গুরুতর আহত হন রেজাউল করিম। পরে তাঁকে ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে ওই রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মামলায় বিএনপির প্রার্থীকে প্রধান আসামি করায় দলটির নেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মামলাটিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মান্নান বলেন, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিনি নিজেও আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবুও তাঁকে মামলার আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শ্রীবরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে, যেখানে কার কতটুকু দায় তা স্পষ্ট। তাঁর মতে, এমপি প্রার্থীসহ নিরপরাধ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে একযোগে মামলা দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মামলা করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঞা বলেন, ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতভাবে কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নিষিদ্ধ কার্যক্রমের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পা

নিষিদ্ধ কার্যক্রমের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পা