Hamas সম্প্রতি Palestinian Authority-এর নিরাপত্তা সমন্বয় নীতি এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের গ্রেপ্তার কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ দখলকৃত পশ্চিম তীরে জনগণের প্রতিরোধ দমন করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা পরিচালনা করছে।
এক বিবৃতিতে হামাস সতর্ক করে বলেছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড “ভুল নীতি এবং দেশপ্রেমবিরোধী অবস্থান” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ফিলিস্তিনি জনগণের ঐক্য ও প্রতিরোধকে দুর্বল করছে। তাদের দাবি, ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান এবং বসতি স্থাপনকারী মিলিশিয়াদের সহিংসতার মধ্যেও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এই ভূমিকা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
হামাস আরও অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ কিছু প্রতিরোধ আন্দোলনের সদস্যকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে আবারও ইসরায়েল তাদের আটক করে। এই ঘটনাকে তারা “জাতীয় অপরাধ” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং বলেছে এটি ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
বিবৃতিতে সংগঠনটি আরও কঠোর ভাষা ব্যবহার করে বলেছে, এটি ফিলিস্তিনি জনগণের পিঠে “বিষাক্ত ছুরিকাঘাত” এবং এমন এক সময়ে ঘটছে যখন গাজা ও পশ্চিম তীর উভয় অঞ্চলে জনগণ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি। তারা দাবি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতি ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির পর্যায়ে পৌঁছেছে।
হামাস ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা রাজনৈতিক বন্দিদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব ধরনের পদক্ষেপ বন্ধ করে এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান নিরাপত্তা সমন্বয় “প্রহসন” বন্ধ করারও আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, এই সমন্বয় ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং এটি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।
এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময়ে এসেছে যখন পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর মধ্যে মতপার্থক্য এবং প্রশাসনিক দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে চলমান, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে এবং অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাব পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে। তবে মাঠ পর্যায়ে সাধারণ জনগণের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে পশ্চিম তীরের নিরাপত্তা ও চলাচল পরিস্থিতিতে।
কসমিক ডেস্ক