ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাগুলো ইসরাইলের উত্তর, কেন্দ্র এবং দক্ষিণাঞ্চলে চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এসব হামলায় উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘সুপার-হেভি’ ও ‘পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট’ সিস্টেম ছাড়াও খাইবার শেকান নামের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
শুধু ইসরাইলই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটিও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে আলি আল সালেম এয়ার বেস, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস এবং আল-দাফরা এয়ার বেস-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ‘পরস্পরবিরোধী আচরণ’ ইরানকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরাতে পারবে না। বরং তারা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।
এই ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কসমিক ডেস্ক