রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন Mohammad Shahabuddin এবং প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঈদগাহের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Mir Shahe Alam এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জাতীয় এই ঈদগাহ ময়দানে নারীসহ প্রায় ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নামাজ শেষে সাধারণ মুসল্লিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে Baitul Mukarram National Mosque-এ প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে Dhaka Metropolitan Police রাজধানীজুড়ে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররমসহ গুরুত্বপূর্ণ সব জামাতে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হবে এবং পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে।
নিরাপত্তার স্বার্থে মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকাকে প্রবেশপথ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঈদগাহ সংলগ্ন সড়কে সব ধরনের যানবাহন প্রবেশ ও পার্কিং নিষিদ্ধ থাকবে। পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সিটিটিসি, ডগ স্কোয়াড ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিম এবং ওয়াচ টাওয়ার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে।
মুসল্লিদের জন্য কিছু নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। নামাজে অংশ নিতে জায়নামাজ, মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ছাতা বহনের অনুমতি থাকলেও দেশলাই, লাইটার বা যেকোনো দাহ্য বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাড়তি নজরদারি থাকবে। প্রশাসন জানিয়েছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এবারের ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
কসমিক ডেস্ক