ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তিকে আর বাংলাদেশে সুযোগ দেওয়া হবে না: ড. আতিক মুজাহিদ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তিকে আর বাংলাদেশে সুযোগ দেওয়া হবে না: ড. আতিক মুজাহিদ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 30, 2026 ইং
ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তিকে আর বাংলাদেশে সুযোগ দেওয়া হবে না: ড. আতিক মুজাহিদ ছবির ক্যাপশন:
ad728
কুড়িগ্রাম–২ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ বলেছেন, “ভারতীয় আধিপত্যবাদী কোনো শক্তিকে আর বাংলাদেশে সুযোগ দেওয়া হবে না। এ দেশের কিছু ভারতীয় দালাল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। আমরা ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ইসলামী জোটের মাধ্যমে একটি সৎ, ন্যায়ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব—ইনশাআল্লাহ।”

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শাহবাজারে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “বিগত দিনে যারা আপনাদের নেতা ছিল, তারা কুড়িগ্রামের জন্য কী করেছে—তা আপনারা ভালো করেই জানেন। আজ কুড়িগ্রামের পরিচয় কী? মাদক আর রিকশাচালক! শীত এলে নেতারা কম্বল দেয়, অভাবের সময় কার্ড ঝুলিয়ে দেয়। কম্বল আর কার্ড দিয়ে কি মানুষের জীবন বদলায়? আপনারা কি আবার সেই পুরনো ‘মুলা ঝোলানো’ নেতাদেরই চান?”
তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের কাছে নেতা হতে আসিনি, আমি এসেছি আপনাদের খাদেম হতে। আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই। জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিস, এনসিপি ও ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব—যেখানে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি কিংবা দিল্লির দাসদের আর কোনো জায়গা থাকবে না।”

১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি শাপলা কলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। নির্বাচিত হলে কুড়িগ্রামের নদীভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধান, বেকারত্ব দূরীকরণ, বাংটুর ঘাটে সেতু নির্মাণ, ফুলবাড়ী উপজেলায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ কুড়িগ্রাম–২ আসনের জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন তিনি।

পথসভায় জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার

কমেন্ট বক্স
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে