মোজাফফরের বিচার কোর্ট মার্শালে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

মোজাফফরের বিচার কোর্ট মার্শালে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 20, 2026 ইং
মোজাফফরের বিচার কোর্ট মার্শালে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন:

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেনা আইন ও ফৌজদারি আইনে একসঙ্গে বিচার করার সুযোগ নেই। কোর্ট মার্শালের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আগে যেসব অভিযুক্তের বিচার হয়েছে, তাদের বিচারও সামরিক আদালতে সম্পন্ন হয়েছিল। সেই মামলার রায় এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ বা ফাইন্ডিংস বিবেচনায় নিয়েই মোজাফফর হোসেনের বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর তাকে সেনা আইনে বিচারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মোজাফফরের বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে আত্মগোপনে ছিলেন। দেশে ফেরার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যেহেতু তিনি একই মামলার পলাতক আসামি ছিলেন, তাই সেনাবাহিনী তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, জেনারেল কোর্ট মার্শাল পূর্বে একই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের রায়, প্রমাণ এবং বিদ্যমান আইনি নথি পর্যালোচনা করে মোজাফফর হোসেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মোজাফফরের সহযোগীদের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত বা ফৌজদারি মামলা হবে কি না, তা পরিস্থিতি ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। সেনা সদস্যদের ক্ষেত্রে মিলিটারি অ্যাক্ট প্রযোজ্য হওয়ায় প্রথমে সেই আইনের অধীনেই বিচার কার্যক্রম চলবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই ঘটনায় সেনা আইন এবং ফৌজদারি আইনে একযোগে বিচার করার সুযোগ নেই। তবে কোর্ট মার্শালের পর যদি কোনো সিভিল বা ফৌজদারি বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রয়োজন হয়, তাহলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।

এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের সীমান্ত এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে ল্যান্ডমাইন শনাক্তকরণের বিশেষ যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তবে সীমান্তে নতুন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়ে এখনো সরকারের কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
নদী ব্যবস্থাপনায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নদী ব্যবস্থাপনায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী