রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইনে নিজ কক্ষ থেকে পুলিশের কনস্টেবল মো. সাইদুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
নিহত মো. সাইদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মো. সাদেকের ছেলে। তিনি প্রায় ৯ মাস আগে পুলিশ কনস্টেবল পদে যোগদান করেছিলেন।
ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুর রহমান মির্জা শুক্রবার বিকেলে জানান, প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাইদুল ইসলাম কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। তবে তার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল কি না বা অন্য কোনো ঘটনা এ মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইনের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখা যায়। ওই সময় তার শরীর বিছানার চাদর দিয়ে প্যাঁচানো ছিল।
শুক্রবার সকালে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা মো. সোহাগ বলেন, সাইদুল বেশ কিছুদিন ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. সেলিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য সাইদুল ইসলামের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
দ্রষ্টব্য: মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি তদন্তকারী সংস্থা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কসমিক ডেস্ক