শেরপুরের নকলা পৌর শহরে পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু, পথচারী, শিক্ষার্থী ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। কুকুরটির আক্রমণে কয়েকটি গৃহপালিত পশুও আহত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে কুকুরটি নকলা পৌর শহরের গ্রিনরোড, দড়িপাড়া, উত্তর কায়দাসহ বিভিন্ন এলাকায় যাকেই সামনে পেয়েছে, তার ওপর হামলা চালায়। ভুক্তভোগীদের চিৎকারে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।
নকলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিন্টু মিয়া অভিযোগ করেন, ভবঘুরে ও উন্মত্ত কুকুরের উপদ্রব দীর্ঘদিনের হলেও এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি জলিল মিয়া জানান, সকালে তার মেয়ে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন জানান, কুকুরের কামড়ে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী টিকা ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নকলা পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পাগলা কুকুরের হামলায় আহতদের সার্বিক চিকিৎসা সহায়তা নকলা পৌরসভা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি উপজেলায় এ ধরনের উন্মত্ত কুকুর শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।
কসমিক ডেস্ক