২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ঘানার আলোচিত আধ্যাত্মিক সাধক ও তান্ত্রিক নানা কওয়াসু বোনসাম। তিনি দাবি করেছেন, কেইনের ওপর আরোপিত কথিত ‘কালো জাদু’ বা অভিশাপ তিনি তুলে নিয়েছেন এবং ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচেই এই স্ট্রাইকার গোল করবেন।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন হ্যারি কেইন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে তিনি প্রত্যাশিত ছন্দে ছিলেন না। পুরো ম্যাচে খুব বেশি কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেননি এবং পাওয়া একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।
এই পারফরম্যান্সের পর নানা কওয়াসু বোনসাম দাবি করেন, কেইনের ছন্দ হারানোর পেছনে তার আধ্যাত্মিক শক্তির প্রভাব ছিল। তবে ইংল্যান্ড ও ঘানার মধ্যকার ম্যাচ শেষে তিনি আবারও বলেন, এখন তিনি সেই কথিত অভিশাপ প্রত্যাহার করেছেন।
বোনসামের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি চান ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে হ্যারি কেইন আবার গোলের দেখা পান। তিনি আরও দাবি করেন, তার উদ্দেশ্য কখনোই ব্যক্তিগতভাবে কেইনের ক্ষতি করা ছিল না; বরং ঘানার স্বার্থে প্রতীকীভাবে এমন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, হ্যারি কেইনের খেলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মুগ্ধ। এমনকি ভবিষ্যতে তার সন্তানের নামও হ্যারি কেইনের নামে রাখার ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করেন।
নানা কওয়াসু বোনসাম অতীতেও এ ধরনের বিতর্কিত দাবির কারণে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। ২০১৪ বিশ্বকাপের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, তার আধ্যাত্মিক শক্তির কারণেই পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হাঁটুর চোটে ভুগেছিলেন। তবে সেই দাবির পক্ষেও কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
উল্লেখ্য, আধ্যাত্মিক শক্তি, কালো জাদু বা অভিশাপসংক্রান্ত এসব দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয় এবং স্বাধীনভাবে যাচাইও করা সম্ভব হয়নি। ফলে এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। মাঠের পারফরম্যান্স শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে খেলোয়াড়দের দক্ষতা, কৌশল এবং ম্যাচ পরিস্থিতির ভিত্তিতেই।
কসমিক ডেস্ক