আইটিএফসি থেকে ২.৮ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চায় বাংলাদেশ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

আইটিএফসি থেকে ২.৮ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চায় বাংলাদেশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 22, 2026 ইং
আইটিএফসি থেকে ২.৮ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চায় বাংলাদেশ ছবির ক্যাপশন:

জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সার আমদানির অর্থ জোগাতে আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) থেকে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ সরকার।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই বড় অর্থায়ন নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিতব্য আইটিএফসির বার্ষিক অর্থায়ন পরিকল্পনা সভায় বাংলাদেশ ও সংস্থাটির মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে। ২১ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে চূড়ান্ত অর্থায়নের পরিমাণ নির্ধারণ করা হতে পারে বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেবেন।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জ্বালানি তেল আমদানির জন্য প্রায় ২.০১ বিলিয়ন ডলার, পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানির জন্য ৬০০ মিলিয়ন ডলার এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সার আমদানির জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন চাইবে।

বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী অর্থবছরের জন্য বেশি অর্থায়ন প্রয়োজন হচ্ছে। অন্যদিকে পেট্রোবাংলা বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট ও হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার কারণে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।

বিএডিসি সার আমদানির ক্ষেত্রে অর্থায়নের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট দেশের পরিবর্তে বিশ্বব্যাপী উৎস থেকে সার আমদানি করা যায়। সংস্থাটি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও নমনীয় অর্থায়ন কাঠামো চায়।

সরকার আইটিএফসির কাছে মোট অর্থায়ন সীমা ৩.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি, খাদ্য এবং কৃষি খাতে সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আইটিএফসি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটি প্রায় ২১.৭৭ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং আমদানি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের বহির্বিশ্ব অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য একদিকে প্রয়োজনীয় হলেও দীর্ঘমেয়াদে চাপও তৈরি করতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আমানত উত্তোলনের চাপে ইসলামী ব্যাংক, ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার স

আমানত উত্তোলনের চাপে ইসলামী ব্যাংক, ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার স