অধ্যক্ষ নিয়োগে নতুন নিয়ম, এনটিআরসিএ-র ক্ষমতা বাড়ল The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

অধ্যক্ষ নিয়োগে নতুন নিয়ম, এনটিআরসিএ-র ক্ষমতা বাড়ল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 27, 2026 ইং
অধ্যক্ষ নিয়োগে নতুন নিয়ম, এনটিআরসিএ-র ক্ষমতা বাড়ল ছবির ক্যাপশন:
ad728

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে নতুন পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জারি করা এই পরিপত্রের মাধ্যমে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে এনটিআরসিএর (নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি) ভূমিকা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

পরিপত্রে জানানো হয়, এনটিআরসিএ আইন, ২০০৫-এর ধারা ৮(ট) অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের দায়িত্ব নতুনভাবে অর্পণ করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর—এই তিন অধিদপ্তর বছরে অন্তত একবার শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএর কাছে পাঠাবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের লিখিত (বা বাছাই), মৌখিক পরীক্ষা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় শূন্য পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিনগুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে। লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ১:১ অনুপাতে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম (চয়েস লিস্ট) দিতে পারবেন। এরপর প্রার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে একজনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।

এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র ইস্যু করতে হবে। কোনো প্রার্থী প্রতিষ্ঠানের ভুল তথ্য বা অন্য কোনো যুক্তিসংগত কারণে যোগদান করতে না পারলে, শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে মেধাক্রম অনুযায়ী পুনরায় নিয়োগ সুপারিশের সুযোগ থাকবে।

তবে পরিপত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত অথবা বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই নতুন ব্যবস্থা চালুর ফলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে স্বচ্ছতা, মেধাভিত্তিক নির্বাচন এবং জবাবদিহি আরও জোরদার হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সীমানা জটিলতা কাটল, ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন

সীমানা জটিলতা কাটল, ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন