পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিন্ডিকেট অভিযোগের পর এমপির আকস্মিক পরিদর্শন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিন্ডিকেট অভিযোগের পর এমপির আকস্মিক পরিদর্শন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 7, 2026 ইং
পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিন্ডিকেট অভিযোগের পর এমপির আকস্মিক পরিদর্শন ছবির ক্যাপশন:
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি রোগীদের ঘিরে গড়ে ওঠা কথিত ‘অদৃশ্য সিন্ডিকেট’, নার্স চক্র ও রোগী বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রসূতি রোগীকে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিবেদনে হাসপাতালের কিছু চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে একটি ‘অদৃশ্য সিন্ডিকেট’-এর মাধ্যমে কমিশনভিত্তিক রোগী বাণিজ্যের অভিযোগ উঠে আসে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ এই তিন মাসে শত শত রোগী ডেলিভারি চেকআপ করালেও হাসপাতালে ডেলিভারির সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে খুবই কম। এতে জনমনে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে যান চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অনেকেই চিকিৎসাসেবা নিয়ে অসন্তোষ, হয়রানি ও ভোগান্তির অভিযোগ তুলে ধরেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমপি এনামুল হক এনাম বলেন, “সরকারি হাসপাতালে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকে যেতে বাধ্য করা গুরুতর অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ প্রকাশের পর ইতোমধ্যে দুটি পৃথক তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

প্রথম টিম ডেলিভারি রোগীদের ক্লিনিকে পাঠানো ও নার্স সিন্ডিকেটের অভিযোগ তদন্ত করবে।

দ্বিতীয় টিম হাসপাতালের সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা ও দালালচক্রের তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করবে।


এদিকে, কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট কমিটি (QIC)-এর সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নরমাল ডেলিভারি টিমের প্রধান শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাসপাতালে প্রসূতি সেবার মান উন্নয়ন ও ডেলিভারির সংখ্যা বাড়াতে কাজ চলছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটিগুলো ইতোমধ্যে নথিপত্র সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ শুরু করেছে। ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : আখতারুজ্জামান ফাহিম

কমেন্ট বক্স
৯ উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি

৯ উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি