যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 2, 2026 ইং
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছবির ক্যাপশন:

ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আবারও উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক অভিযানের জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।

মঙ্গলবার আইআরজিসির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সম্প্রতি ওমান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। সেই হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই ‘এমএসসি সারিসকা’ নামের একটি কার্গো জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি ইরাকের উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। হামলার ফলে জাহাজটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ওমান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচলরত ইরানি জাহাজ ‘লিয়ান স্টার’-এর ওপর গত শুক্রবার মার্কিন বাহিনী হামলা চালায়। তারা হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত হানে, যার ফলে জাহাজটি অচল হয়ে পড়ে।

এই ঘটনার পর তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সামুদ্রিক সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগ তোলে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচলরত একটি বেসামরিক জাহাজে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।

আইআরজিসি আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, এ অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাব দ্রুত এবং কঠোরভাবে দেওয়া হবে। তাদের মতে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত।

এদিকে সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ—বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি—বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এখানে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক মহলের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
অবৈধ অভিবাসন ও ট্রাকচালনা, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ ভারতীয় বহিষ্কারে

অবৈধ অভিবাসন ও ট্রাকচালনা, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ ভারতীয় বহিষ্কারে