কুমিল্লার লাকসামে ৫টি চুরি করা ছাগলসহ অটোরিকশাযোগে পালানোর সময় দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় লাকসাম–মুদাফরগঞ্জ সড়কে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে উপজেলার চানগাঁও গ্রামের মাদরাসা শিক্ষক মো. আবু তাহেরের বাড়ির পাশের একটি ঘর থেকে ৫টি ছাগল চুরি করা হয়। চুরির পর ছাগলগুলো অটোরিকশায় তুলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা।
তবে বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করেন এবং ধাওয়া দেন। পরে নোয়াপাড়া জামে মসজিদের পাশে লাকসাম–মুদাফরগঞ্জ সড়কে অটোরিকশাটি আটকাতে সক্ষম হন এলাকাবাসী। সেখানেই দুইজনকে ছাগলসহ আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার আড়াইওড়া পালপাড়া গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে মো. জনি (২৮) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দক্ষিণ চান্দলা বলাখাল এলাকার অহিদ মিয়ার ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩৫)।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ মাকসুদ আহাম্মদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাগল ও অটোরিকশাসহ আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয়।
তিনি আরও জানান, আটক জনির বিরুদ্ধে তিনটি এবং বিল্লালের বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় ছাগলের মালিক বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি নতুন চুরির মামলা দায়ের করেছেন। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটলেও এবার ছাগল চুরির ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তারা অভিযুক্তদের আটক করতে সক্ষম হন। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
পুলিশ বলছে, গ্রামীণ এলাকায় গবাদিপশু চুরির ঘটনা মাঝেমধ্যে ঘটে থাকে। তবে জনসচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে অনেক অপরাধী ঘটনাস্থলেই ধরা পড়ছে।
এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
কসমিক ডেস্ক