পতেঙ্গায় ট্রলার থেকে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৯ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পতেঙ্গায় ট্রলার থেকে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৯

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 11, 2026 ইং
পতেঙ্গায় ট্রলার থেকে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৯ ছবির ক্যাপশন:

চট্টগ্রাম নগরীর Patenga, Chattogram, Bangladesh এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে Rapid Action Battalion (RAB)। অভিযানে ৫ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয় এবং এ ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, একটি ফিশিং ট্রলারের মাধ্যমে কক্সবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলারে থাকা কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করে। তবে ঘটনাস্থল থেকেই ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দ আলম (৪৫), সুলতান আহম্মদ (৫৫), মো. ইউসুফ (৪৫), মো. কাসিম (৩০), মো. ইসমাইল (৪০), শাহ আলম (৩৫), আজম উল্লাহ (৫৭), মো. ফারুক (২৫) এবং ছানাউল্লাহ (৫৭)। তাদের মধ্যে কয়েকজন রোহিঙ্গা নাগরিকও রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে Cox's Bazar, Bangladesh-এর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্বল্পমূল্যে ইয়াবা সংগ্রহ করে ট্রলারের মাধ্যমে Chattogram City, Bangladesh এবং আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল।

পরবর্তীতে ট্রলারটি তল্লাশি করে ইঞ্জিন রুমের পাশে রাখা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে পলিথিন ও স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

র‌্যাব আরও জানায়, মাদক পাচারের এই চক্রটি একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় রুট ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার করে আসছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে ফিশিং ট্রলার ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক পরিবহনের চেষ্টা করা হয়।

এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মাদক পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদক পাচার রোধে সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সচেতন করে তোলা এবং তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো হলে এই ধরনের অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫ বন্দির অবশিষ্ট সাজা মওকুফ

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫ বন্দির অবশিষ্ট সাজা মওকুফ