বিশেষ দোয়া যা পড়লে মনের আশা পূরণ হয় The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

বিশেষ দোয়া যা পড়লে মনের আশা পূরণ হয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 6, 2026 ইং
বিশেষ দোয়া যা পড়লে মনের আশা পূরণ হয় ছবির ক্যাপশন:

ইসলামে দোয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহ তাআলার কাছে বান্দার চাওয়া-পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো দোয়া। হাদিসে এমন কিছু দোয়ার কথা উল্লেখ আছে, যেগুলোর বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘ইসমে আজম’ সম্বলিত একটি দোয়া। এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহকে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং তাঁর কাছে কিছু চাইলে তা প্রদান করেন—এমন সুসংবাদ এসেছে হাদিসে।

‘ইসমে আজম’ বলতে বোঝায় আল্লাহ তাআলার সেই মহান ও গুণবাচক নামসমূহ, যা তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। এসব নামের মাধ্যমে দোয়া করলে তা অধিক গ্রহণযোগ্য হয়। হাদিসে বর্ণিত এই বিশেষ দোয়াটি মুসলমানদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত।

দোয়াটি হলো—
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ

এর উচ্চারণ:
“আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদা, লা-ইলাহা ইল্লা আনতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম।”

এর অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি। সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্য। তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তুমি পরম দয়ালু। তুমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। হে মহিমান্বিত ও সম্মানের অধিকারী, হে চিরঞ্জীব, হে সর্বক্ষমতার অধিকারী।

হাদিসে হযরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে বসা ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি নামাজ আদায় করে এই দোয়াটি পাঠ করেন। তখন নবী করিম (সা.) বলেন, ওই ব্যক্তি ইসমে আজমের মাধ্যমে আল্লাহকে ডেকেছে। এই নামে ডাকা হলে আল্লাহ সাড়া দেন এবং এই নামে তাঁর কাছে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দান করেন।

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর বিশেষ কিছু নাম রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে দোয়া করলে তা দ্রুত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মুসলমানদের উচিত এসব দোয়া নিয়মিত পাঠ করা এবং আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।

দোয়া কবুলের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। প্রথমত, দোয়া করতে হবে একান্ত মনোযোগ ও বিশ্বাসের সঙ্গে। দ্বিতীয়ত, হালাল উপার্জন দোয়া কবুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ত, দোয়ার শুরু ও শেষে দরুদ শরিফ পাঠ করা উত্তম। এছাড়া তাহাজ্জুদের সময়, সিজদার সময় এবং জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তগুলো দোয়া কবুলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

সবশেষে বলা যায়, ইসমে আজম সম্বলিত এই দোয়া মুসলমানদের জন্য একটি বড় নিয়ামত। এর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে চাওয়া হলে তিনি তা কবুল করেন—এমন আশ্বাস দিয়েছেন মহানবী (সা.)। তাই জীবনের প্রতিটি প্রয়োজন ও সংকটে এই দোয়াটি পাঠ করে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা উচিত।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে রাশিয়ার অবস্থান অটুট: ল্য

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে রাশিয়ার অবস্থান অটুট: ল্য