বিসিক শিল্পনগরীতে ডিজেল জব্দ, মালিকদের সাজা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

বিসিক শিল্পনগরীতে ডিজেল জব্দ, মালিকদের সাজা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 1, 2026 ইং
বিসিক শিল্পনগরীতে ডিজেল জব্দ, মালিকদের সাজা ছবির ক্যাপশন:

ভোলার বিসিক শিল্পনগরীর দুটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ হাজার লিটার অবৈধভাবে মজুদ করা ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন, এনএসআই ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে প্রথমে মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিল নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। কারখানার ভেতরে দুটি পানির ট্যাংক ও আটটি ড্রামে এসব জ্বালানি মজুদ রাখা হয়েছিল। এ বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক জামাল খানকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে একই এলাকায় অবস্থিত তৃষ্ণা বেকারি থেকে প্রায় ২ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত জব্দকৃত ডিজেল বিক্রি করে এর অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে।

অভিযান চলাকালে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়। খান ফ্লাওয়ারের কিছু কর্মী বিসিক এলাকার সড়কে বালুর বস্তা ও ইট ফেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার হুমকি এবং প্রাণনাশের ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে। পরে অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মালিক জামাল খান একটি লড়িতে করে প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল এনে তার একটি অংশ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছেন। অথচ তার প্রতিষ্ঠানের দৈনিক জ্বালানি প্রয়োজন মাত্র দেড়শ লিটার। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন দিনের জন্য প্রায় ৪৫০ লিটার জ্বালানি মজুদ রাখার অনুমতি থাকলেও তিনি তার চেয়ে বহু গুণ বেশি জ্বালানি সংরক্ষণ করেন।

এ বিষয়ে জামাল খান দাবি করেছেন, তিনি জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতি নিয়ে তেল সংগ্রহ করেছেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মতে, বৈধ কোনো লিখিত অনুমোদন না থাকায় এই মজুদ সম্পূর্ণ অবৈধ।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ডিজেল পাওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
বাণিজ্যমন্ত্রী হতে পারেন আমীর খসরু

বাণিজ্যমন্ত্রী হতে পারেন আমীর খসরু