এই প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিন্ন দাবি করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানই আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
ফ্লোরিডার পাম বিচ-এ এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের চারটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানোর প্রস্তুতির ঠিক আগে তেহরান থেকে যোগাযোগ করা হয়। তিনি দাবি করেন, ইরান আলোচনায় বসতে চায় এবং তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগের ব্যাপারেও নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, সোমবার রাত নাগাদ ইরানের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করার পরিকল্পনা ছিল, যার নির্মাণে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এই অবকাঠামো রক্ষা করতেই ইরান আলোচনার পথে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ট্রাম্প তার দাবির পক্ষে বিস্তারিত কোনো প্রমাণ বা আলোচনাকারীদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। তবুও তিনি দাবি করেন, দুই পক্ষের মধ্যে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো চুক্তি তখনই সম্ভব হবে, যখন যুদ্ধ বন্ধ হবে এবং ইরান পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে। এই শর্তে ইরান সম্মত হচ্ছে বলেও তার দাবি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে। যুদ্ধবিরতির আলোচনা বাস্তব রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত থাকলেও বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
কসমিক ডেস্ক