২৮ মার্চের ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু, অনলাইনেই মিলছে সব টিকিট The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

২৮ মার্চের ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু, অনলাইনেই মিলছে সব টিকিট

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 18, 2026 ইং
২৮ মার্চের ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু, অনলাইনেই মিলছে সব টিকিট ছবির ক্যাপশন:

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া মানুষের ফিরতি যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ বুধবার (১৭ মার্চ) ২৮ মার্চের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। এটি ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রির ষষ্ঠ দিন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে না, যাত্রীরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।

আজ সকাল ৮টা থেকে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। একই দিনে দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্য অনুযায়ী টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।

এর আগে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৩ মার্চ বিক্রি করা হয় ২৩ মার্চের টিকিট। এরপর ১৪ মার্চ ২৪ মার্চের, ১৫ মার্চ ২৫ মার্চের, ১৬ মার্চ ২৬ মার্চের এবং ১৭ মার্চ ২৭ মার্চের টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হয়। ধারাবাহিক এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামীকাল ১৯ মার্চ ২৯ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে।

এদিকে ঈদের দিন নির্ধারণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ২০, ২১ ও ২২ মার্চের ট্রেনের টিকিট বিক্রি বিশেষভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ওই দিনগুলোর টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যাত্রীদের সুবিধার্থে কিছু অতিরিক্ত ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নন-এসি কোচের মোট আসনের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাত্রার জন্য বরাদ্দ থাকবে। এসব টিকিট ট্রেন ছাড়ার আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এতে শেষ মুহূর্তে যাত্রা করতে চাওয়া যাত্রীরাও কিছুটা সুযোগ পাবেন।

তবে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। একজন যাত্রী একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহের সুযোগ থাকবে। এতে করে টিকিট কালোবাজারি বা অতিরিক্ত মজুদ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, একবার কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করার সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে যাত্রীদের টিকিট কেনার সময় সঠিক পরিকল্পনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঈদ শেষে লাখো মানুষ কর্মস্থলে ফিরে আসেন। এই সময় ট্রেনে যাত্রীর চাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। তাই আগাম টিকিট বিক্রির এই ব্যবস্থা যাত্রীদের জন্য যেমন সুবিধাজনক, তেমনি যাত্রা ব্যবস্থাপনাকেও আরও সুসংগঠিত করে তুলছে।

সার্বিকভাবে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এই অনলাইনভিত্তিক অগ্রিম টিকিট বিক্রি ব্যবস্থা ঈদ-পরবর্তী যাত্রাকে সহজ ও পরিকল্পিত করার একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে ১৬ মার্চ থেকে প্রচার শুরু

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে ১৬ মার্চ থেকে প্রচার শুরু