বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাভার এবং কুমিল্লা সেনানিবাস সফর করেছেন।
আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সাভার সেনানিবাস-সংলগ্ন আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাবাহিনী প্রধান।
এই প্রতিষ্ঠানে ২০০ শয্যার সুবিধা থাকবে।
প্রতিষ্ঠানটিতে স্নায়ুরোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু এবং অভিযানিক দায়িত্ব পালনকালে বা দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এখানে প্রচলিত ফিজিওথেরাপি ছাড়াও অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি এবং আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা সেনানিবাস সফর করেন।
সেখানে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে অবস্থিত আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন করেন তিনি।
এছাড়া ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।
আইএসপিআর জানায়, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব জায়গায় এরিয়া সদর দপ্তর, কুমিল্লা কর্তৃক প্রদত্ত ৫ একর জমির ওপর আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
সেনাবাহিনী প্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে ৭ দশমিক ৭ একর জমির ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
বর্তমানে এই কলেজে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
তাদের অনেকেই বর্তমানে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত রয়েছেন।
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডিরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেলসহ সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সাভার ও কুমিল্লা এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বেসামরিক কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
কসমিক ডেস্ক