ভুতুরে বিলের অভিযোগে স্কুলে তদন্ত শুরু করেছে মাউশি The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ভুতুরে বিলের অভিযোগে স্কুলে তদন্ত শুরু করেছে মাউশি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 15, 2026 ইং
ভুতুরে বিলের অভিযোগে স্কুলে তদন্ত শুরু করেছে মাউশি ছবির ক্যাপশন:

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তদন্তের উদ্যোগ নেয়।

রবিবার (১৫ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা. নাসির উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তার মতে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরুর অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠানো হবে।

প্রকাশিত সংবাদে অভিযোগ করা হয়, ভুয়া বিলের মাধ্যমে বিদ্যালয় থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ‘ভুতুরে বিলে উধাও সড়ে ৫ লাখ টাকা’ শিরোনামে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনের পরই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার জন্য পাঁচ লাখ ৬১ হাজার টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়।

দরপত্রের আওতায় বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য, বইপত্র, গবেষণা সরঞ্জাম, শিক্ষা উপকরণ এবং ক্রীড়া সামগ্রীসহ নানা ধরনের সরঞ্জাম সরবরাহ করার কথা ছিল।

এই দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয় নেত্রকোনার মেসার্স ইউনিপ্যাক এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

প্রতিষ্ঠানটির সত্ত্বাধিকারী আল আমিন নামে একজন ব্যক্তি বলে জানা গেছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানকে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছিল।

বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সরঞ্জাম গ্রহণের জন্য সহকারী শিক্ষকদের সমন্বয়ে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে সরঞ্জাম সরবরাহ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়।

এছাড়া ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্যদের কাছ থেকেও সরঞ্জাম গ্রহণের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরবর্তীতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহের প্রত্যয়ন দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সেই প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি টাকা উত্তোলন করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাট ও ট্যাক্স বাদ দিয়ে মোট চার লাখ ৮০ হাজার ২৫৫ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

ফলে বিদ্যালয়টি নির্ধারিত সরঞ্জামাদি থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
শাহেদ ড্রোনের আদলে ‘লুকাস’ ড্রোন ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ই

শাহেদ ড্রোনের আদলে ‘লুকাস’ ড্রোন ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ই