মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 13, 2026 ইং
মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড ছবির ক্যাপশন:

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ উদ্যোগের উদ্যোক্তা হিসেবে আলোচিত শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আদালতের কাছে হরিদাস চন্দ্রের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করে বলেন, মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়নি এবং হরিদাস চন্দ্র মূলত মন্দির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। আদালতে নিজের বক্তব্যে হরিদাস চন্দ্র বলেন, তিনি আগে কৃষিকাজ করতেন এবং বর্তমানে মন্দির পরিচালনা করছেন। ভক্তদের দেওয়া অর্থ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার আহ্বানও জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, হরিদাস চন্দ্রের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের প্রকৃত উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, হরিদাস চন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি হুন্ডি ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সিআইডির অনুসন্ধানে তার পাঁচটি ব্যাংক হিসাব এবং চারটি এমএফএস অ্যাকাউন্টে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত ১২ জুলাই রাতে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস সম্প্রতি ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন। পরে অর্থায়ন, জমির মালিকানা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে গত ১১ জুন মন্দির কর্তৃপক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রামমূর্তি নির্মাণকাজ স্থগিত ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। সিআইডির অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর

নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর