প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা প্রচার, নাচোল ইউএনও’র উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা প্রচার, নাচোল ইউএনও’র উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 23, 2026 ইং
প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা প্রচার, নাচোল ইউএনও’র উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা ছবির ক্যাপশন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে পিআইসি কমিটির সভাপতির বরাত দিয়ে মাদ্রাসার সংস্কারের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা গুজব প্রচার করে ইউএনও অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা'কে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট। 
তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, উপজেলার ফতেপুর ইউপি'র আলীশাপুর দাখিল মাদ্রাসার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত টিনের চালা মেরামতের জন্য উপজেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে ২০২৪-২০২৫  অর্থবছরে ২লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। পিআইসি কমিটির মাধ্যমে বরাদ্দের ওই প্রকল্পটি নাচোল এলজিইডি অফিসের উপসহকারি প্রকৌশলী ফাহাদ আলী কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পিআইসি কমিটির সভাপতি ফতেপুর ইউপির ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য ইসমতারার তত্বাবধানে বরাদ্দের ২ লাখ টাকার ১৫% ভ্যাট ও আইটি কর্তনের পর ১লাখ ৭০হাজার টকা খরচ করে টিনের চালা পূণঃনির্মান কাজ সম্পন্ন হয়। কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে ওই মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম যথারীতি প্রত্যায়ন প্রদান করেন। কিন্তু হঠাৎ করে প্রকল্পের সভাপতি ইসমতারা, মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম ও উপসহকারী প্রকৌশলীর মধ্যে একে অপরকে দোষারোপ করতে শুরু করেন। ওই ইউপি সদস্য(প্রকল্প সভাপতি) ইসমতারা প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে হয়নি বলে এবং তিনি এ বিষয়ে অবহিত না বলে তাকে না জানিয়ে সভাপতি করা হয়েছে বলে প্রচার মাধ্যমে স্বাক্ষাতকার প্রদান করেছেন। ওই স্বাক্ষাতকারে উপজেলা নির্বাহী অফিসের কোন কর্মকর্তাকে দোষারোপ করেননি। কিন্তু জনৈক সাংবাদিক দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন টিভিতে উদ্যেশ্য মূলকভাবে ইউএনও অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলামকে দোষারোপ করে তাঁর নাম প্রচার করেন। 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাদেকুল ইসলাম জানান, বরাদ্দের ২লাখ টাকার ১৫% ভ্যাট ও আইটি বাদে বাকি ১ লাখ ৭০  টাকায় প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রকল্প সভাপতির অস্বিকার করার কোন অপশন নেই। তিনি প্রকল্পের বিল-ভাউচার, এগ্রিমেন্টসহ সমস্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। এমনকি ওই মাদ্রাসার সুপার রবিউল ইসলাম টিনের চালার কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে লিখিত প্রত্যয়ন দিয়েছেন। এলজিইডি দপ্তরের দায়িত্বপ্ত উপসহকারি প্রকৌশলী জানান, সুষ্ঠভাবে কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প সভাপতি মোসাঃ ইসমতারা প্রকল্পের ফাইলে স্বাক্ষর ও মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম প্রত্যয়ন প্রদান করেছেন। এদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কোন অভিযোগ না থাকলেও পিআইসি কমিটির সভাপতির মিথ্যা অভিযোগ পুঁজি করে একটি মহল উপজেলা নির্বাহী অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তাকে দোষারোপ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইউএনও অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, তিনি শুধু প্রকল্পের চেকটি রেজিস্টারে এন্ট্রি করে ফাইলনোট লিখে ইউএন’র নিকট উপস্থাপন করেছিলেন। টাকা-পয়সা লেনদেনের অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট। এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা জাহিদ হাসান গত ২৭ এপ্রিল অভিযোগটি তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে জমা দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গি বলেন, তদন্ত প্রতিনেদন পেয়েছি। পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
এদিকে নাচোল উপজেলায় সাংবাদিকতার আড়ালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া ও মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করার নাচোল উপজেলা প্রশাসনে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। 

নিউজটি পোস্ট করেছেন : ফারুক হোসেন ডন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

কমেন্ট বক্স
চীন–পাকিস্তানের মধ্যে ১২২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি

চীন–পাকিস্তানের মধ্যে ১২২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি