রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে বিদায়ী উপাচার্যকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে নিজের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে উপাচার্যকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার কথা স্বীকার করেছেন রাকসু সাধারণ সম্পাদক।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার বিদায়ী উপাচার্য ড. সালেহ হাসান নকীব-কে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি লেখেন, গত ১৮ মাসে নিজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে উপাচার্যকে একাধিকবার বিপদে ফেলেছেন এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “প্রত্যেকবার আমার জন্য বিপদে পড়তে হয়েছে এই মানুষটাকে।” একইসঙ্গে তিনি নিজের কর্মকাণ্ডকে ‘সিস্টেম ব্রেক’ করার প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠিত নিয়মের বাইরে গিয়ে পরিবর্তন আনার চেষ্টায় অনেক সময় তাকে রূঢ় ও বেয়াদব আচরণও করতে হয়েছে।
সালাউদ্দিন আম্মার আরও বলেন, হয়তো তিনি শিগগিরই ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যাবেন এবং এতে অনেকেই স্বস্তি পাবেন। তবে তিনি দাবি করেন, তার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না এবং তিনি সবসময় পরিবর্তনের লক্ষ্যেই কাজ করেছেন।
বিদায়ী উপাচার্যের উদ্দেশে তিনি দোয়া চেয়ে লেখেন, ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতা কামনা করেন এবং শেষ রমজানে তার জন্য দোয়া করেছেন। পাশাপাশি নিজের জন্যও দোয়া কামনা করেন।
এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে আত্মসমালোচনার সাহসী উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ছাত্র রাজনীতির আচরণগত দিক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছেন।
কসমিক ডেস্ক