ঢাকা-৪ আসন (শ্যামপুর-কদমতলী) এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের প্রতি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থার প্রকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থীকে ঘিরে ভোটারদের প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শ্যামপুর ও কদমতলী এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, বিগত সময়ে নানা সংকট ও নাগরিক সমস্যার মধ্যেও রবিনকে এলাকায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তিনি নিয়মিত কথা বলেছেন ও উদ্যোগ নিয়েছেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
এলাকার বাসিন্দাদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের প্রত্যাশা করছেন, যেখানে তাদের ভোটের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে। এমন প্রেক্ষাপটে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সক্রিয় একজন প্রার্থী হিসেবে তানভীর আহমেদ রবিনকে তারা এগিয়ে রাখছেন।
গেন্ডারিয়ার শহীদনগর এলাকার মুদি ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, রবিনকে তারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। তার মতে, তিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তাই ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি তাদের আস্থা তৈরি হয়েছে।
এলাকার তরুণ ভোটারদের মধ্যেও রবিনকে নিয়ে আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। তারা জানান, কর্মসংস্থান ও তারুণ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে রবিন যে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং অতীতে তিনি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে যে সামাজিক কর্মকাণ্ড হয়েছে, তা তাদের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। স্থানীয় সন্তান হওয়ায় এলাকার বাস্তব সমস্যাগুলো তিনি ভালোভাবে বুঝবেন—এমন প্রত্যাশাও প্রকাশ করেন তারা।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারণায় তানভীর আহমেদ রবিন সাধারণ মানুষের এই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কাছ থেকে সরাসরি মতামত নিয়ে তিনি ২০টি অগ্রাধিকারমূলক অঙ্গীকার নির্ধারণ করেছেন, যা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেবেন।
সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক ও তানভীর আহমেদ রবিনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে স্পষ্ট প্রত্যাশা ও আস্থার প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কসমিক ডেস্ক