ভোলার দৌলতখান উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সির হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন—মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. কবির (২৮), ছাত্রদলের সদস্য রাছেল (২২) এবং মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল (৩০)। তাদের দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আহত কর্মীদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল (২৫), মোহাম্মদ নাঈম (২০) ও ফরহাদ (২৩) রয়েছেন। তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, সকালে মেদুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পোস্টার লাগিয়ে ভোলা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিমের পক্ষে গণসংযোগে নামেন। এ সময় বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতের আমির হাসান তারেক স্বপন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির ধানের শীষের লোকজন উত্তেজিত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। তারা এই সহিংস রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ চান।
অন্যদিকে দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু বলেন, জামায়াত কর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা ও পোস্টার বেঁধে গণসংযোগ করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ নিয়েই তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপিরও তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
দৌলতখান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।