উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 10, 2026 ইং
উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছবির ক্যাপশন:

University of Barishal-এ আবারও নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। উপাচার্য Mohammad Toufiq Alam-কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কর্মসূচি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রবিবার শিক্ষক সমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এর আগে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলে। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দেয়।

পরবর্তীতে সংকট সমাধানে উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। গত ৩০ এপ্রিল বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আলোচনা সাপেক্ষে সংকট নিরসনের বিষয়ে সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছিল বলে জানানো হয়। এরপর শিক্ষকরা আন্দোলন শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফেরার আশা তৈরি হয়েছিল।

তবে শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার আলোকে সংকট সমাধানের বিষয়ে যে সমঝোতা হয়েছিল, পরে তা বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে এগোচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিশ দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, ওই সভায় অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং চলমান সংকট সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন তারা।

এই পরিস্থিতিতে রবিবার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভা থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক নেতাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে তারা আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সার্বিক বিষয়ে জানতে উপাচার্য Mohammad Toufiq Alam-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
তারেক রহমানই আগামী দিনের গণতন্ত্রের ‘টর্চ বেয়ারার’: আমীর খসর

তারেক রহমানই আগামী দিনের গণতন্ত্রের ‘টর্চ বেয়ারার’: আমীর খসর