জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী Rizia Parveen এবার রাজনীতির মাঠে প্রবেশ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে সংগীতাঙ্গনে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করার পর তিনি এবার সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি সম্প্রতি আসন্ন নির্বাচনে Bangladesh Nationalist Party (BNP)-এর হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি গণমাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক লক্ষ্য তুলে ধরেন।
রিজিয়া পারভীন জানান, তিনি তার নিজ জেলা Kishoreganj District থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আবেদন করেছেন। তার লক্ষ্য সেখান থেকেই নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা।
তিনি বলেন, “আমার বাড়ি কিশোরগঞ্জ। সেখান থেকেই আমি আবেদন করেছি। আমি নির্বাচিত হলে নারীদের জন্য কাজ করব, দেশের মানুষের জন্য কাজ করব। যেহেতু আমি একজন শিল্পী, তাই সংস্কৃতি নিয়েও কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে তার প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে নারী অধিকার ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন।
নব্বইয়ের দশক থেকে সংগীতজগতে সক্রিয় থাকা রিজিয়া পারভীন দেশের অন্যতম পরিচিত কণ্ঠশিল্পীদের একজন। তার গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সংগীতাঙ্গনে একটি স্থায়ী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনীতিতে শিল্পীদের অংশগ্রহণ নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে অতীতেও অনেক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তবে প্রতিবারই এই ধরনের ঘোষণা নতুন করে আলোচনা তৈরি করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনপ্রিয় শিল্পীদের রাজনীতিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা সমাজে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে সক্ষম হন।
তবে একই সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে টিকে থাকা নির্ভর করে বাস্তব কাজ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের ওপর। শুধু জনপ্রিয়তা নয়, কার্যকর ভূমিকা রাখাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সব মিলিয়ে, সংগীত থেকে রাজনীতিতে রিজিয়া পারভীনের এই যাত্রা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তিনি তার রাজনৈতিক লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়ন করতে পারেন।
কসমিক ডেস্ক