কিমের উপস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

কিমের উপস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 29, 2026 ইং
কিমের উপস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা ছবির ক্যাপশন:

বিশ্ব নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ। দেশটি নতুন ও উন্নত প্রযুক্তির একটি রকেট ইঞ্জিনের সফল ‘গ্রাউন্ড টেস্ট’ সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এই পরীক্ষায় সরাসরি উপস্থিত ছিলেন দেশটির নেতা Kim Jong Un

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ’র তথ্য অনুযায়ী, এই পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ইঞ্জিন উন্নয়ন কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা, যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সলিড-ফুয়েল প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। এই ধরনের ইঞ্জিন ব্যবহারের ফলে উৎক্ষেপণের আগে দীর্ঘ প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে না এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া সম্ভব হয়।

কেসিএনএ আরও জানিয়েছে, পরীক্ষায় ব্যবহৃত ইঞ্জিনে আধুনিক ‘কম্পোজিট কার্বন ফাইবার’ উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এই ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ থ্রাস্ট বা শক্তি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোটন। গ্রাউন্ড টেস্টের মাধ্যমে মূলত রকেট ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা ও জ্বালানি ব্যবস্থার দক্ষতা যাচাই করা হয়।

তবে পরীক্ষাটি ঠিক কোথায় এবং কবে পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি পিয়ংইয়ং। এতে করে এই সামরিক কার্যক্রম ঘিরে কিছুটা অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে কিম জং উন দেশটিকে একটি শক্তিশালী পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বজুড়ে আগ্রাসন ও সংঘাতের জন্য দায়ী বলেও মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের সামরিক পরীক্ষা কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল হিসেবেও দেখা যায়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের পদক্ষেপ আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই পরীক্ষাকে উত্তর কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা তাদের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, উত্তর কোরিয়ার এই নতুন রকেট ইঞ্জিন পরীক্ষা বিশ্ব নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি কোন দিকে এগোয়, তা আন্তর্জাতিক মহলের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
হাইকোর্টের আদেশে শাবিপ্রবির শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত

হাইকোর্টের আদেশে শাবিপ্রবির শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত