রাজধানী ঢাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রকৌশলী ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন-এর প্রশাসকরা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তারা জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় কিছু উন্নতি হলেও প্রধানমন্ত্রী এতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন এবং আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী নগরের খাল, নর্দমা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করে টেকসই সমাধান গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বোনাস প্রদানের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে সামনে এসেছে।
দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর নির্ভর না করে দেশের প্রকৌশলী ও শিক্ষার্থীদের কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সরঞ্জাম তৈরি করা সম্ভব কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঈদকে সামনে রেখে নগরবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বাস টার্মিনাল এলাকাগুলোর সড়ক সংস্কারের কাজ জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খাল-নর্দমা পরিষ্কার এবং অবরুদ্ধ জলপথ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্জ্য অপসারণে স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেশন প্রযুক্তি চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে, ঢাকাকে একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও দেশীয় সমাধানকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কসমিক ডেস্ক