‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’-এর অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানের তথ্য শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ডিএমপি জানায়, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীর একাধিক থানার পুলিশ একযোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সর্বাধিক গ্রেপ্তার করা হয় শাহবাগ থানা এলাকায়, যেখানে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ ছাড়া খিলগাঁও ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ চারজন করে মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে। শেরেবাংলা নগর ও হাজারীবাগ থানা পুলিশ তিনজন করে মোট ছয়জনকে আটক করে। লালবাগ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে দুইজনকে।
অন্যদিকে কোতোয়ালি, ডেমরা, সূত্রাপুর, মোহাম্মদপুর ও বাড্ডা থানা পুলিশ একজন করে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— সাব্বির হোসেন (২৪), শাহীন বাপ্পী শামীম ওরফে সেলিম (২৫), আমির হোসেন (২৬), আক্তার হোসেন (৫৩), মনা ব্যাপারী (২৭), মো. হাফিজুল ইসলাম (২৬), তাজবিন খান (৩২), শরিফুল ইসলাম (২৯), মো. ফারুক (৩৫), শরিফুল ইসলাম (৫৩), সুফল চৌধুরী (৩৫), মো. মুন্না (২০), মেহেদী হাসান (৩০), মো. সাহেব আলী (২১), ইফতেখার রেজা (৪০), মামুন (৩০), রাজিব (২৬), শাওন ওরফে সেন্টু (২৮), এ বি এম মাহমুদুল বসরি (৩০) এবং মো. জয়নাল হাওলাদার (৬৩)।
অন্য গ্রেপ্তারদের মধ্যে আরও রয়েছেন— মো. সেলিম (৩০), মো. রমজান (১৯), কাউছার আহম্মেদ (৩৩), মো. আলম সরদার (৪২), মো. আইউব আলী (৩৩), মিজানুর রহমান (৩৮), মো. শাহদাত (২৪), এমসার ইউনুছ (৪০), মাইখেল চন্দ্র (২৮), আলী আহম্মেদ (২৬), ইয়াহিয়া ফেরদৌস হিটলার (৩০), লিমন (১৯), মো. করিম মিয়া (২৬), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) ও মো. রমজান আলী (২৪)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
কসমিক ডেস্ক