নির্বাচনের আগে চাঁদা ও অনুদান দেওয়া–নেওয়া নিষিদ্ধ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

নির্বাচনের আগে চাঁদা ও অনুদান দেওয়া–নেওয়া নিষিদ্ধ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 28, 2026 ইং
নির্বাচনের আগে চাঁদা ও অনুদান দেওয়া–নেওয়া নিষিদ্ধ ছবির ক্যাপশন:
ad728

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের আগে অনুদান, বরাদ্দ ও সংবর্ধনা গ্রহণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চাঁদা, অনুদান বা উপঢৌকন প্রদান কিংবা এর প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।

নির্বাচন কমিশনের জারি করা ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’–এর ধারা ৪ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের আগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানকে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে কোনো ধরনের চাঁদা, অনুদান বা উপঢৌকন দিতে কিংবা দেওয়ার অঙ্গীকার করতে পারবে না। একইসঙ্গে কোনো প্রার্থী কোনো প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা সংগঠনের কাছ থেকে সংবর্ধনাও গ্রহণ করতে পারবেন না।

ইসি আরও জানিয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রার্থী সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব কিংবা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন করতে পারবেন না। পাশাপাশি সরকারি সুবিধাভোগী কোনো অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এসব প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান ঘোষণা, বরাদ্দ প্রদান বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবেন না।

আচরণবিধিমালার ধারা ৫ অনুযায়ী, সরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ কিংবা কোনো সরকারি কার্যালয় কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এসব স্থাপনা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আচরণবিধিমালা লঙ্ঘনকে নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ৯১খ (৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

একইভাবে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে দলটির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।

এ ছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে। কমিশনের কাছে কোনো উৎস থেকে প্রাপ্ত রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আরপিও ৯১ঙ ধারা অনুযায়ী লিখিত আদেশে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা যাবে। ওই আদেশ দ্রুত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হবে এবং সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

ইসি জানিয়েছে, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চলবে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আচরণবিধি লঙ্ঘনে এমপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ

আচরণবিধি লঙ্ঘনে এমপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ