বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার, বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার, বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 18, 2026 ইং
বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার, বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ ছবির ক্যাপশন:

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুধু দলসংখ্যার দিক থেকেই নয়, আর্থিক দিক থেকেও ইতিহাস গড়েছে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া এই আসরে ফিফার আয় এবং প্রাইজমানি—দুটিই রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলেও। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার উন্নয়ন তহবিল থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। দীর্ঘ ২২টি আসর পর ২০২৬ সালে এসে দলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সম্প্রচারস্বত্ব, স্পন্সরশিপ, টিকিট বিক্রি এবং বাণিজ্যিক আয়। এর ফলে বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানিও আগের যেকোনো আসরের তুলনায় অনেক বেশি।

এবারের বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। ফিফার নীতিমালা অনুযায়ী, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি বড় অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব সদস্য ফুটবল ফেডারেশন উন্নয়ন তহবিলের অংশ পাবে।

বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, ফিফার মূল লক্ষ্য শুধু বিশ্বকাপ আয়োজন নয়, বরং সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে সহায়তা করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ বাংলাদেশসহ সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যা স্থানীয় ফুটবলের অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বাড়ানোর ফলে এশিয়া, আফ্রিকা এবং অন্যান্য অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগও বেড়েছে। এতে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল শুরুতেই ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার করে পেয়েছে ট্রেনিং ক্যাম্প ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো অতিরিক্ত ১০ মিলিয়ন ডলার, দ্বিতীয় রাউন্ডে বিদায় নেওয়া দলগুলো ১২ মিলিয়ন ডলার, শেষ ষোলোতে বিদায় নেওয়া দলগুলো ১৬ মিলিয়ন ডলার এবং কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বাদ পড়া দলগুলো ২০ মিলিয়ন ডলার করে পাচ্ছে।

এছাড়া চতুর্থ স্থান অধিকারী দল ২৭ মিলিয়ন ডলার, তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল ২৯ মিলিয়ন ডলার, রানার্সআপ ৩৩ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রাইজমানি পাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিফার উন্নয়ন তহবিলের এই অর্থ সঠিক পরিকল্পনায় ব্যবহার করা গেলে বাংলাদেশের ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়ন, তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরি, কোচিং এবং যুব ফুটবলের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
জামায়াত–এনসিপিসহ ১০ দলের সমঝোতা, আসন চূড়ান্তে চলছে শেষ মুহূর

জামায়াত–এনসিপিসহ ১০ দলের সমঝোতা, আসন চূড়ান্তে চলছে শেষ মুহূর