‘আমি মরলে তোমরাও মরবে’ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

‘আমি মরলে তোমরাও মরবে’

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 10, 2026 ইং
‘আমি মরলে তোমরাও মরবে’ ছবির ক্যাপশন:

ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন এক মন্তব্য করেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি তার বিমানে হামলা চালায়, তাহলে সেখানে উপস্থিত সংবাদকর্মীরাও নিরাপদ থাকবেন না। তিনি দাবি করেন, ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় তার নামই রয়েছে প্রথমে। এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশে রসিকতা ও সতর্কবার্তার মিশেলে বলেন, ‘আমি যদি মারা যাই, তাহলে তোমরাও মরবে। তাই হয়তো তোমাদের মধ্যে কয়েকজনের এখনই পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবা উচিত।’

এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এর জেরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এবার ট্রাম্প তার নতুন বিলাসবহুল প্রেসিডেন্সিয়াল বিমান ব্যবহার না করে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ ভ্রমণ করেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই একে অপরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইরানের আগ্রাসনের জবাব দিতেই তাদের সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

অন্যদিকে, তেহরানও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইরানের সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে দাবি করেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানের সামনে কোনো ‘রেড লাইন’ নেই। পাশাপাশি ট্রাম্পকে সমর্থনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের তেল ও গ্যাস স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। ইতোমধ্যেই তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ আরও বেড়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
লিবিয়া উপকূলে ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশিও নিহত

লিবিয়া উপকূলে ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশিও নিহত