বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই নিশ্চিত হয়েছে নকআউট পর্বের একটি বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই। নতুন ৪৮ দলের বিশ্বকাপের ফরম্যাট অনুযায়ী রাউন্ড অব ৩২-এ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং এশিয়ার শক্তিশালী প্রতিনিধি জাপান। আগামী ২৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।
গ্রুপ ‘সি’-তে শীর্ষস্থান অর্জন করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। যদিও টুর্নামেন্টের শুরুটা ব্রাজিলের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করলেও পরবর্তী দুই ম্যাচে দুর্দান্ত ঘুরে দাঁড়ায় সেলেসাওরা। হাইতিকে ৩-০ এবং স্কটল্যান্ডকে একই ব্যবধানে হারিয়ে দলটি নিজেদের ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিশেষ করে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দলটির অন্যতম বড় শক্তি হয়ে উঠেছে। তার গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার সক্ষমতা প্রতিপক্ষের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হতে পারে। নকআউট পর্বেও ব্রাজিল সমর্থকদের বড় ভরসা এই তারকা ফরোয়ার্ড।
অন্যদিকে গ্রুপ ‘এফ’-এ রানার্সআপ হয়ে নকআউটে উঠেছে জাপান। পুরো টুর্নামেন্টে সংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছে এশিয়ার দলটি। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ড্র, তিউনিসিয়ার বিপক্ষে বড় জয় এবং সুইডেনের সঙ্গে সমতা এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত নকআউটের টিকিট।
জাপানের দ্রুতগতির আক্রমণ, কার্যকর দলীয় সমন্বয় এবং দৃঢ় রক্ষণভাগ ব্রাজিলের জন্য সহজ প্রতিপক্ষ হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রাজিলের অভিজ্ঞতা, আক্রমণাত্মক ফুটবল এবং ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের বিপরীতে জাপান কতটা কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, সেটিই হবে ম্যাচের অন্যতম আলোচনার বিষয়।
আগামী ২৯ জুনের এই ম্যাচের বিজয়ী দল বিশ্বকাপের পরবর্তী ধাপ রাউন্ড অব ১৬-এ জায়গা নিশ্চিত করবে। ফলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি হবে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াই, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য উপহার দিতে পারে দারুণ এক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ।
কসমিক ডেস্ক