২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 21, 2026 ইং
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি ছবির ক্যাপশন:

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেট সহায়তা ও নীতিগত উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হলে এই খাতে আরও অগ্রগতি সম্ভব হবে। বিশেষ করে মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোকে সুযোগ দিলে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৭৮১.০৯ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ২৬টি প্রকল্প নির্মাণাধীন রয়েছে, যেগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,১৭২ মেগাওয়াট। এছাড়া আরও ১৫টি প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যেগুলো থেকে অতিরিক্ত ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ২০২৯ সালের মধ্যে।

জ্বালানি খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থিতিশীল নীতি, উন্নত গ্রিড ব্যবস্থা এবং শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো না গেলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান মাত্র ২.৩ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ৩৪ শতাংশ। তিনি বলেন, জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা কমাতে দ্রুত নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও লিথিয়াম ব্যাটারি আমদানিতে কর ও শুল্ক মওকুফ করা হলে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে। এতে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তার আরও ত্বরান্বিত হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
দেশে প্রথমবার ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক: লাইসেন্স দেবে বাংলাদেশ ব্যাং

দেশে প্রথমবার ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক: লাইসেন্স দেবে বাংলাদেশ ব্যাং