
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকরা ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি যাতায়াতের সুবিধা পেতে পারেন এবং মেট্রোরেলে তাদের জন্য ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবীণ নাগরিকদের দৈনন্দিন চলাচল সহজ করা এবং তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমানো। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যাতায়াত অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে, তাই সরকার এই শ্রেণির মানুষের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা করছে বলে বাজেট প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি যাতায়াত করতে পারবেন। এতে করে প্রবীণ নাগরিকদের দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ আরও সহজ হবে এবং তাদের পরিবহন ব্যয় শূন্যে নেমে আসবে।
এই সুবিধা কার্যকর হলে দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দূরবর্তী অঞ্চলের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এটি বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে।
ঢাকার মেট্রোরেল ব্যবস্থায় প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের প্রস্তাবও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নগর পরিবহনে মেট্রোরেল এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তাই প্রবীণদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
এই ছাড়ের ফলে শহরের মধ্যে চলাচলকারী প্রবীণ যাত্রীরা তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত ও আরামদায়ক যাতায়াত করতে পারবেন।
এই ধরনের ভাড়া ছাড় ও ফ্রি যাতায়াত সুবিধার মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো—
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ সামাজিক কল্যাণমূলক বাজেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে এটি এখনো একটি প্রস্তাবিত বাজেট পরিকল্পনা, যা চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়নের আগে সরকারি অনুমোদন ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। বাস্তবায়নের সময় শর্ত, পরিচয়পত্র যাচাই এবং নির্দিষ্ট নিয়মাবলী যুক্ত হতে পারে।
সংক্ষেপে বলা যায়, ২০২৬-২৭ বাজেট প্রস্তাবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য ট্রেনে ফ্রি যাতায়াত এবং মেট্রোরেলে ২৫% ভাড়া ছাড়ের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি একটি বড় ধরনের স্বস্তির উদ্যোগ হবে।